
1. প্রশ্ন:কলেজে কত টাকা লাগতে পারে ?
উত্তর: চার বছরের কোর্স মোট আটটি সেমিস্টার। প্রতি সেমিষ্টারে সেশন চার্জ ১০০০ টাকার আশেপাশে। ফরম ফিলাপ ১২০০-১৩০০ টাকার মত।
2. প্রশ্ন: ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রতি সেমিস্টারে কত টাকার বই কিনতে হবে?
উত্তর: ১৩০০-১৬০০ টাকার বই দরকার হবে। ২০২২ প্রবিধানে।
3. প্রশ্ন: নতুন বই না কিনে পুরাতন বই কিনলে কি হবে না?
উত্তর: অবশ্যই হবে। তবে বইয়ের নতুন ভার্সন করার সময় বইয়ের বিভিন্ন অধ্যায় এদিক সেদিক করা হয়। যার কারনে নতুনদের একটু বুঝে উঠতে সমস্যা হয়। তবে স্যারদের বা সিনিয়রদের সহযোগীতায় পুরান বই দিয়েই চালিয়ে নেওয়া সম্ভব। কিন্তু প্রথম পর্যায়ে সমস্যা না থাকলে নতুন বই সংগ্রহ করা ভালো।
4. প্রশ্ন: ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর পড়াশুনা কি জেনারেল কলেজ এর মত নাকি ভিন্ন?
উত্তর: এটা জেনারেলের মত না। একটু ভিন্ন। এখানে ৬ মাসের সমিস্টার ভিত্তিক ফাইনাল পরীক্ষা হবে কিন্তু এইচএসসিতে২ বছর পরে ১ বারে ফাইনাল পরীক্ষা হয়। তাই তাদের মত ঘুরে ফিরে সময় কাটাতে চাইলে বিপদ হওয়ার সম্ভবনা বেশী।
5. প্রশ্ন: পলিটেকনিকে নাকি আরও অনেক পরীক্ষা আছে সেগুলো কি কঠিন?
উত্তর: ক্লাস টেস্ট, কুইজ টেস্ট, ল্যাব টেস্ট, এসাইনমেন্ট, মিডাটার্ম পরীক্ষাও দিতে হবে। তবে এগুলো একদম কঠিন হবে না যদি কেউ নিয়মিত পড়ালেখা করে তার জন্য। নিয়মিত পরীক্ষা হওয়ার কারনে যারা এগুলোতে ভাল করবে তাদের জন্য ফাইনালে ভাল রেজাল্ট করা সহজ।
6. প্রশ্ন: আচ্ছা ফাইনাল পরীক্ষা বাদে কি আর অন্য পরীক্ষার মার্কসগুলো কাজে লাগবে?
উত্তর: হ্যা এখানে আপনার প্রতিটা পরীক্ষার মার্কস ফাইনাল রেজাল্টের সাথে যুক্ত হবে। এমনকি হাজিরার জন্য মার্কস থাকবে যেটা ফাইনালে যুক্ত হবে যা জেনারেলে নেই।
7. প্রশ্ন: তার মানে কলেজে ক্লাস না করলে এই মার্কস গুলো পাবো না?
উত্তর: হ্যা ঠিক ধরেছেন! কলেজে ক্লাস না করলে এই মার্কস গুলো পাবে না। এমনকি তুমি ক্লাস না করলে ক্লাস টেস্ট, কুইজ টেস্টের পরীক্ষা গুলো সম্পর্কে জানবে না এবং সেগুলো দিতে পারবে না ফলে মার্কস ও পাবে না। যা তোমার রেজাল্ট খারাপের কারণ হবে।
আপনার মতামত লিখুন :